হোম / সারাদেশ / ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় খামারে বিনিয়োগ ও পাওন...
সারাদেশ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় খামারে বিনিয়োগ ও পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ | ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
২৩২ বার পঠিত
ফন্ট:
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন নাসিরুজ্জামান।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় খামার পরিচালনা, জমি লিজ এবং ঘাস ও ভুট্টা চাষে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও লভ্যাংশ, বেতন ও বিনিয়োগের টাকা ফেরত না পাওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মো. নাসিরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি। আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি এ ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়েও চরম উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন নাসিরুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর 'মোহাম্মদীয়া' নামক প্রতিষ্ঠানের এমডি মো. ইমামুল হক জনির আমন্ত্রণে তিনি ঢাকায় যান এবং ওই প্রতিষ্ঠানে লজিস্টিক ইনচার্জ হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় গরুর খামারের মালিক ইউসুফ আল আমিনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ইউসুফ আল আমিন তাঁর বাড়িতে গিয়ে খামার ও ঘাস চাষের কার্যক্রম দেখে মুগ্ধ হন এবং তাঁকে খামার পরিচালনার দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেন। পরবর্তীতে নানা আশ্বাসে ২০১৯ সাল থেকেই তিনি সেই খামার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নাসিরুজ্জামানের দাবি, খামারের পরিধি বৃদ্ধির অংশ হিসেবে তিনি মালা এলাকায় ২১ একর ও শুকুরহাটায় ২৫ একরসহ বিভিন্ন স্থানে জমি লিজ নেন। ওইসব জমিতে ঘাস ও ভুট্টা চাষসহ জমি পরিষ্কার, বীজ ক্রয়, সার প্রয়োগ এবং শ্রমিকদের মজুরি বাবদ তাঁর মোট এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

তবে কৃষিকাজে এই বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করলেও তাঁকে চুক্তি অনুযায়ী বেতন ও পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তিনি মারাত্মক আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন। নিজের বিনিয়োগকৃত অর্থ ও পাওনা আদায়ের বিষয়ে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে বলে জানান তিনি। তাঁর দাবি, উল্টো তাঁর নামে আদালতে মিথ্যা মামলা ও আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে বিভিন্ন উপায়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে তিনি ও তাঁর পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

কৃষিকাজের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি জানান, ঘাস ও ভুট্টা চাষের সময় সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শ নেওয়া হয়েছে এবং তাঁর কাছে সমস্ত দাপ্তরিক কাগজপত্র ও হিসাব-নিকাশ সংরক্ষিত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাঁর ব্যয়ের প্রকৃত হিসাব যাচাইপূর্বক বকেয়া বেতন ও পাওনা পরিশোধ, আর্থিক ক্ষতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার জোর দাবি জানান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ আল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে সংবাদে তা যুক্ত করা হবে।

 

 

মাতুভূমি/এসএফ

আ
আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+