নারায়ণগঞ্জের সদর, ফতুল্লা ও সোনারগাঁয়ে পৃথক তিনটি স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয়জন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন এবং দেয়াল ধসে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। দগ্ধদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত থেকে রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নারায়নগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোরে দেওভোগ এলাকায় একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় জমানো গ্যাস থেকে বৈদ্যুতিক স্পার্কের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে নিচতলার দেয়াল ধসে পাশের একটি কাঁচা ঘরের ওপর পড়লে দুই শিশুসহ মোট ছয়জন আহত হন। তবে দ্রুত আগুন নিভে যাওয়ায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
অন্যদিকে, শনিবার রাতে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে রাসায়নিক দাহের ঘটনায় আনোয়ার (৪০) ও সামসুল (৩০) নামে দুই ব্যক্তি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। তাঁদের মধ্যে সামসুলের শরীরের ৫৫ শতাংশ ও শ্বাসনালি পুড়ে গেছে এবং আনোয়ারের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
একই রাতে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে হাজী নুরুল ইসলাম ভিলার ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনের ম্যানেজার শরীফ মিয়াসহ রোজিনা, রিয়াজ ও রনি নামের চারজন গুরুতর দগ্ধ হন। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার জানান, তাঁদের শরীরের ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে গেছে এবং চিকিৎসা চলছে।
মাতুভূমি/এসএফ

আপনার মতামত দিন