হোম / লাইফস্টাইল / হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৫ মিনিটে করণীয় ও বর্জন...
লাইফস্টাইল

হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৫ মিনিটে করণীয় ও বর্জনীয়

ডেস্ক রিপোর্ট
০৪ নভেম্বর, ২০২৬ | ০২:০৬ অপরাহ্ন
৭ বার পঠিত
ফন্ট:

হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক যেকোনো সময় মানুষের জীবনে হানা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের পরবর্তী প্রথম ৫ থেকে ১০ মিনিট অত্যন্ত সংবেদনশীল—যাকে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’। এই সময়টিতে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ নিলে রোগীর প্রাণ রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা বহুলাংশে বেড়ে যায়।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে প্রথম ৫ মিনিটে ঠিক কী করা উচিত এবং কী করা থেকে বিরত থাকা দরকার, তা নিচে তুলে ধরা হলো:

করণীয়:
১. দ্রুত জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন: বুকে তীব্র চাপ, ব্যথা যা হাত, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে পড়া, ঠান্ডা ঘাম কিংবা নিঃশ্বাসের স্বল্পতার মতো লক্ষণ দেখা মাত্রই কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি সেবায় কল করুন। রোগীকে নিজের গাড়িতে নেওয়ার চেয়ে অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া নিরাপদ, কারণ সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী ও অক্সিজেন থাকে।

২. আরামদায়ক অবস্থায় বসান: রোগীকে মেঝেতে বা কোনো আরামদায়ক স্থানে পিঠ সোজা করে বসান। তাকে শুইয়ে দেবেন না, কারণ শোয়া অবস্থায় শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে। টাইট জামাকাপড়, শার্টের কলার বা বেল্ট একটু ঢিলে করে দিন।

৩. মানসিকভাবে শান্ত রাখুন: এ সময় আতঙ্কিত হলে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। তাই রোগীকে শান্ত রাখুন এবং আশ্বস্ত করুন যে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা আসছে।

৪. চিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ দিন: রোগীর আগে থেকেই হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে এবং চিকিৎসকের নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশন বা এমার্জেন্সি ওষুধ (যেমন: অ্যাসপিরিন বা নাইট্রোগ্লিসারিন স্প্রে) নির্ধারিত থাকলে, নিয়ম অনুযায়ী তা সেবন করান। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে ভারী ওষুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।

যা কখনো করবেন না:
নিজ পায়ে হাঁটার চেষ্টা করবেন না: রোগীকে বসা অবস্থায় রাখুন, কখনোই হেঁটে গাড়ির কাছে যাওয়ার অনুমতি দেবেন না।

ভিড় জমাবেন না: রোগীর চারপাশে ভিড় করলে বাতাসে অক্সিজেনের ঘাটতি হতে পারে এবং রোগী মানসিক চাপে পড়তে পারেন।

জোর করে ম্যাসেজ বা চাপাচাপি করবেন না: বুকে হাত দিয়ে জোরে চাপ দেওয়া বা মালিশ করার ভুল পদ্ধতিগুলো এড়িয়ে চলুন। তবে রোগীর নাড়ি বা শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে (কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ঘটলে) কেবল প্রশিক্ষিত ব্যক্তিরাই সিপিআর শুরু করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সচেতনতা এবং দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান গড়ে দিতে পারে।

 

 

 

মাতুভূমি/এসএফ

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+