হোম / সারাদেশ / প্রেমিক রাজুর সঙ্গে শেষ কী কথা হয়েছিল তাজমীনে...
সারাদেশ
কুমিল্লার স্কুলছাত্রী হত্যা:

প্রেমিক রাজুর সঙ্গে শেষ কী কথা হয়েছিল তাজমীনের

কক্সবাজার প্রতিনিধি
১২ অক্টোবর, ২০২৬ | ০১:৩৭ অপরাহ্ন
৯২ বার পঠিত
ফন্ট:
রাজুর দাবি, তাজমীনের সঙ্গে তার প্রায় ছয় মাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাকে বিয়ে করার ইচ্ছা ছিল তার। তাজমীনের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তাজমীন আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আলোচিত প্রেমিক রাজুকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের আগে গণমাধ্যমের কাছে তাজমীনের সঙ্গে শেষ যোগাযোগ ও তাদের সম্পর্কের বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন রাজু।

রাজুর দাবি, তাজমীনের সঙ্গে তার প্রায় ছয় মাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাকে বিয়ে করার ইচ্ছা ছিল তার। তাজমীনের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি।

রাজুর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সকালে তাজমীন কক্সবাজার বাস টার্মিনালে পৌঁছালে তিনি তাকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর তারা কলাতলীর ‘মেঘলা’ রিসোর্টের একটি কক্ষে একদিন অবস্থান করেন। এ সময় তাজমীনের পরিবারের সদস্যরা বারবার ফোন করায় রাজু তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আইকনিক এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তাকে বাসে তুলে দেন বলে জানান তিনি।

রাজু জানান, বাড়িতে পৌঁছানোর পর প্রধান ফটক বন্ধ ও বাবার ফোন বন্ধ পাওয়ার কথা তাকে জানিয়েছিল তাজমীন। তখন তাকে দরজার সামনে অপেক্ষা করতে বা অন্য কারো ফোন থেকে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। এরপর তাজমীন এক বান্ধবীর বাসায় রাত কাটিয়ে সকালে বাড়ি ফেরার কথা জানান।

ভিডিও কলে সিএনজিতে দেখার পর তাকে বকাঝকা করা হয়েছিল বলে দাবি করে রাজু জানান, তাজমীন কল কেটে লাইভ লোকেশন বন্ধ করে দেন এবং মেসেজ পাঠান—‘তুমি চিন্তা করিও না, আমি আমার এক আঙ্কেলের বাসায় যাচ্ছি। সেখান থেকে কাল বাসায় চলে যাব।’ পরদিন সকাল ৬টার দিকে আবারও ভিডিও কলে তাকে সিএনজিতে দেখা যায় এবং চালকের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে তাজমীন লাইন কেটে দেন। এরপর আর যোগাযোগ না হলেও পরের দিন বন্ধুর মাধ্যমে মৃত্যুর খবর পান তিনি।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান জানান, তাজমীনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা রাজু স্বীকার করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। কুমিল্লা থেকে তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা আসার পর তাকে হস্তান্তর করা হবে অথবা আদালতে সোপর্দ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর কুমিল্লার লালমাই উপজেলার একটি ধানখেত থেকে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তাজমীনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন একা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

 

 

 

মাতুভূমি/এসএফ

ক
কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+