হোম / সারাদেশ / সাজেকে ৫ম দিনে লাগাতার সড়ক অবরোধ: স্থবির পর্য...
সারাদেশ

সাজেকে ৫ম দিনে লাগাতার সড়ক অবরোধ: স্থবির পর্যটন খাত

ডেস্ক রিপোর্ট
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ | ০২:০২ অপরাহ্ন
৮৫ বার পঠিত
ফন্ট:
পর্যটন কেন্দ্রটির স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় পাহাড়ি বাসিন্দা ও পর্যটন খাতের বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পিকেটারদের সরাসরি উপস্থিতি না থাকলেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি টহল ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সাজেক এলাকা থেকে সশস্ত্র সদস্যদের অপসারণসহ তিন দফা দাবিতে ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে। গত ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই লাগাতার অবরোধের কারণে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালির সার্বিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে।

পর্যটন কেন্দ্রটির স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় পাহাড়ি বাসিন্দা ও পর্যটন খাতের বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পিকেটারদের সরাসরি উপস্থিতি না থাকলেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি টহল ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আন্দোলনরত সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের এলাকা থেকে অপসারণ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ঘোষিত তিন দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
১. সাজেক এলাকা থেকে জেএসএসের সশস্ত্র ক্যাডারদের অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়া।
২. স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৩. এলাকায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

এদিকে সার্বিক পরিস্থিতির বিবেচনায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্দেশে গত ২২ অক্টোবর থেকেই সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। নতুন কোনো পর্যটক যেতে না পারায় পুরো পর্যটনশিল্পে বড় ধরনের স্থবিরতা নেমে এসেছে এবং রিসোর্ট ও পরিবহনসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানান, বর্তমানে এলাকার সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উদ্ভূত অচলাবস্থা নিরসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

 

মাতুভূমি/এসএফ

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+