হোম / বিনোদন / মহানায়ক উত্তম কুমারের শততম জন্মবার্ষিকী আজ
বিনোদন

মহানায়ক উত্তম কুমারের শততম জন্মবার্ষিকী আজ

বিনোদন ডেস্ক
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ০২:২১ পূর্বাহ্ন
৮৮ বার পঠিত
ফন্ট:
চলচ্চিত্রপ্রেমীদের প্রিয় ‘মহানায়ক’ উত্তম কুমার (অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়)—যিনি নিজের অভিনয়শৈলী ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতা অর্জন করেছিলেন।

চলচ্চিত্রপ্রেমীদের প্রিয় ‘মহানায়ক’ উত্তম কুমার (অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়)—যিনি নিজের অভিনয়শৈলী ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতা অর্জন করেছিলেন। ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের আহিরিটোলায় জন্ম নেওয়া এই কিংবদন্তি অভিনেতা বেঁচে থাকলে আজ তাঁর বয়স হতো ১০০ বছর।

কলকাতার সাউথ সুবারবন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর গোয়েঙ্কা কলেজে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে কলকাতার পোর্টে চাকরি নেওয়ায় পড়াশোনা বেশিদূর এগোয়নি। কর্মজীবনের শুরুতে অভিনয়ে নাম লেখালেও তাঁর প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল ‘দৃষ্টিদান’ (এর আগে ‘মায়াডোর’ ছবিতে কাজ করলেও তা মুক্তি পায়নি)। এরপর ‘বসু পরিবার’ ছবির মাধ্যমে তিনি দর্শকদের কিছুটা নজর কাড়েন এবং ১৯৫৩ সালে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ মুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রজগতে নিজের স্থায়ী আসন পোক্ত করেন।

‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবির মাধ্যমেই বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় উত্তম-সুচিত্রা জুটির সূত্রপাত হয়। সুচিত্রা সেনের সঙ্গে তাঁর অভিনীত ৩০টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ২৯টিই ব্যবসাসফল হয়েছিল। পর্দার বাইরেও তাঁদের ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে ছিল নানা গুঞ্জন। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে ‘হারানো সুর’, ‘পথে হল দেরি’, ‘সপ্তপদী’, ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘বিপাশা’, ‘জীবন তৃষ্ণা’ ও ‘সাগরিকা’-এর মতো অসংখ্য ক্লাসিক উপহার দেন এই জুটি। এর মধ্যে অজয় কর পরিচালিত ‘হারানো সুর’ ছবিটির জন্য তিনি রাষ্ট্রপতির সার্টিফিকেট অব মেরিট পুরস্কার অর্জন করেন। এ ছাড়া ১৯৬৭ সালে ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’ ও ‘চিড়িয়াখানা’ ছবির জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

মাত্র ৫৪ বছর বয়সে এই মহানায়কের জীবনাবসান ঘটলেও আজও বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে তাঁর ঔজ্জ্বল্য ম্লান হয়নি। তাঁর অভিনীত অনবদ্য চলচ্চিত্রগুলো আজও সমানভাবে মুগ্ধ করে চলেছে নতুন প্রজন্মের দর্শককে।

 

ব
বিনোদন ডেস্ক

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+