হোম / বিনোদন / শতবর্ষে ড. ভূপেন হাজারিকা: জীবন ও সুরের অনন্য...
বিনোদন

শতবর্ষে ড. ভূপেন হাজারিকা: জীবন ও সুরের অনন্য এক মেলবন্ধন

বিনোদন ডেস্ক
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
১২৫ বার পঠিত
ফন্ট:
গানকে যিনি জীবনের আয়না বানিয়ে তুলেছিলেন, সেই বিশ্ববরেণ্য সংগীতশিল্পী ড. ভূপেন হাজারিকার আজ ১০০তম জন্মবার্ষিকী।

গানকে যিনি জীবনের আয়না বানিয়ে তুলেছিলেন, সেই বিশ্ববরেণ্য সংগীতশিল্পী ড. ভূপেন হাজারিকার আজ ১০০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আসামের সদিয়ায় জন্ম নেওয়া এই কালজয়ী শিল্পী তাঁর অসাধারণ ও দরাজ কণ্ঠে অসমীয়া ছাড়াও বাংলা ও হিন্দি ভাষায় গান গেয়ে ভারত ও বাংলাদেশসহ সমগ্র উপমহাদেশে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ভূপেন হাজারিকা ১৯৫২সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানে অধ্যয়নকালে কৃষ্ণাঙ্গ শিল্পী ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম মুখ পল রোবসনের সংস্পর্শে আসেন তিনি। রোবসনের বিখ্যাত ‘ও'ল ম্যান রিভার’ গান দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি মিসিসিপির দীর্ঘশ্বাসকে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের স্রোতে রূপ দিয়ে সৃষ্টি করেন কালজয়ী গান—‘বিস্তীর্ণ দুপারের অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনেও’। এছাড়া তাঁর বিখ্যাত ‘মানুষ মানুষের জন্য’ গানটি ২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার ঐতিহাসিক শ্রোতা জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করে।

তাঁর গানে নদী ও নদীর পারের মেহনতি মানুষের জীবনচিত্রের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে ক্ষুরধার প্রতিবাদ ও সর্বজনীন মানবপ্রেম। ‘আমি এক যাযাবর’, ‘আজ জীবন খুঁজে পাবি’, ‘গঙ্গা আমার মা’, ‘আমায় ভুল বুঝিস না’ এবং ‘হে দোলা হে দোলা’-র মতো অগণিত জনপ্রিয় গান উপহার দেওয়া এই সুরসাধক ২০১১ সালের ৫ নভেম্বর পরলোকগমন করেন। সংগীতে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘ভারতরত্ন’ (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।

 

ব
বিনোদন ডেস্ক

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+