বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট থেকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে বিকাল ৫টার দিকে মাঝপদ্মায় ডুবে যায়। দুর্ঘটনায় নৌকার এক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অপর ১১ জন পানিতে নিখোঁজ হন।
ঘটনার পরপরই ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের খান্দুয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার বাখেরআলি বিওপি এবং ফরিদপুর বিওপি কমান্ডারকে টেলিফোনে জানান যে, ডুবে যাওয়া নৌকার ১০ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করেছে বিএসএফ। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৩ জন নারী এবং ৩ জন শিশু রয়েছে।
উদ্ধারকৃতদের দ্রুততম পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির ৫৩ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ফরিদপুর বিওপি কমান্ডার ও খান্দুয়া বিএসএফ ক্যাম্প কমান্ডারের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে বৈঠকের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তাদের নিকটআত্মীয় মো. ইসমাইল হোসেনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।
উদ্ধারকৃতরা সকলেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের জহুরপুর বকরী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সুস্থ থাকা এই ব্যক্তিরা হলেন—মো. রাসেল (২৬), মো. ইব্রাহিম (৫০), মো. সওদাগর (৪০), মো. ইব্রাহিম (৬০), সখিনা (৪৫), নিলুফা (৩৫), তানিয়া (২২) ও তার ২০ দিন বয়সী কন্যাসন্তান, সানাউল্লাহ (৯) এবং আল আমিন (৯)।
এদিকে এ দুর্ঘটনায় জহুরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মোস্তফা (৬০) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধানে স্থানীয়ভাবে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত দিন