শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত দিন ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এদিন প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টে সিরিজ ট্রানজেকশন, গেম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে কৃত্রিম উপায়ে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে কারসাজি করেন। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করে মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
প্রধান অভিযুক্ত সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু) ও তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক লেনদেন ও অর্থ স্থানান্তরের প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া, অভিযুক্ত আবুল খায়েরের কারসাজি করা বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে সাকিব আল হাসান মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সহায়তা করেন এবং প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাতুভূমি/এসএফ

আপনার মতামত দিন