ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে জেন-জি নেতৃত্বাধীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপি), বিরোধী রাজনৈতিক জোট এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের গণবিক্ষোভ কর্মসূচিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লি ও মুম্বাই। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত শুক্রবার নয়াদিল্লি ও মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা জমায়েত হলে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা ব্যাপক ধরপাকড় চালায়। দিল্লির জন্তর মন্তরের চারপাশের ১১টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার পাশাপাশি ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। এ সময় দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আতিশিসহ আম আদমি পার্টির শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীসহ পাঁচ শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। অন্যদিকে, মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে বিপুল পুলিশ মোতায়েন ও ব্যারিকেড সত্ত্বেও আন্দোলনকারীরা জড়ো হন।
সম্প্রতি ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটার তালিকা সংশোধন ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের দুই সহকারী গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই খবর প্রকাশের পর থেকেই তরুণ আন্দোলনকারীরা রাজপথে নেমেছেন। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভোটার যাচাইকরণের নামে কোটি কোটি যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে কেটে ফেলে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
‘ককরোচ জনতা পার্টির’ আহ্বায়ক সৌরভ দাস হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আগামী মঙ্গলবার থেকে কংগ্রেসের নেতৃত্বেও সিইসির পদত্যাগের দাবিতে নতুন কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
মাতুভূমি/এসএফ

আপনার মতামত দিন