হোম / জাতীয় / কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে অসন্তোষ প্রধা...
জাতীয়

কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে অসন্তোষ প্রধানমন্ত্রীর

পরিচ্ছন্নতায় ৭ দিনের আলটিমেটাম
ডেস্ক রিপোর্ট
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ | ১২:৪৭ অপরাহ্ন
৫১ বার পঠিত
ফন্ট:
রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার অসন্তোষজনক পরিবেশ দেখে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পরিস্থিতি উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে আগামী ৭ দিনের সময় বেঁধে দেন।

আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবার মান এবং সার্বিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে গিয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সাথে কথা বলেন এবং তাঁদের চিকিৎসাসেবার সার্বিক খোঁজখবর নেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) ও অপারেশন থিয়েটারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন।

হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে যান। সেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে তরুণদের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর বছরের এই নির্দিষ্ট সময়—বিশেষ করে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ে। এতে বহু মানুষ আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। এই মারাত্মক পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানতম কার্যকর উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, যা চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমেই সম্ভব।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ডেঙ্গুর সাথে লড়াইয়ের সবচেয়ে উত্তম উপায় হলো প্রতিরোধ। আর এর জন্য আমাদের নিজ নিজ চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এই জরুরি কাজে আমি তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা চাই।”

তিনি আরও যোগ করেন, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও তরুণ যদি নিজ উদ্যোগেই আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নেয়, তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা সম্ভব।

রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রায় আড়াই কোটি মানুষের বসবাস এই ঢাকা শহরে। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করলেও তাঁদের সক্ষমতার একটি সুনির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই কেবল প্রশাসন বা সিটি করপোরেশনের ওপর দায় না চাপিয়ে নগরীর সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেককে নিজের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের নাগরিক কর্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, স্কাউট, গার্ল গাইড বা রেড ক্রিসেন্টের সদস্য হওয়া ছাড়াও সবাই এই দেশের নাগরিক এবং তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই নিজের ঘরবাড়ি, বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখার প্রাথমিক দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে।

 

 

 

মাতুভূমি/এসএফ

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+