নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দুই বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে দেশে ফিরতে চান জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। একই সঙ্গে হত্যা মামলাসহ সব অভিযোগের আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত বলে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।
বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যস্ত সাকিব রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, “সরকার যদি আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তবে আমি আনন্দের সঙ্গেই দেশে ফিরব এবং আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি হব। আমি জানি, আমি কোনো অন্যায় করিনি।”
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে এখনই অবসর নিচ্ছেন না; বরং দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলার পাশাপাশি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করাই তার মূল লক্ষ্য।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকে সাকিব যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান করছেন। গত বুধবার নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর দেশে সাকিবের ফাঁকা বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ওই সম্মেলনে তিনি কেবল শান্তি ও দেশের উন্নতির কথা বলেছিলেন, তাই এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই। মামলাগুলোকে ‘বানোয়াট’ উল্লেখ করে তিনি জানান, অতীতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করেও কোনো জবাব পাননি।
রয়টার্সকে সাকিব আরও জানান, তিনি যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরতে চান। তবে এককভাবে তা সম্ভব না হলে দলীয় সিদ্ধান্তে ‘শেখ হাসিনার সঙ্গেই’ দেশে ফেরার চেষ্টা করবেন। এছাড়া দেশে ফেরার ইস্যুতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন এই তারকা ক্রিকেটার।

আপনার মতামত দিন