জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় নিখোঁজের কিছুদিন পর একটি আখক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি নিখোঁজ ইজিবাইকচালক ফরিদ হোসেনের (৪১) বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে কঙ্কালটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ক্ষেতলাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল করিম জানান, উদ্ধার করা কঙ্কালের পরনের পোশাক দেখে নিহতের বাবা-মা সেটি ফরিদ হোসেনের বলে শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে কঙ্কালটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে মামলার প্রধান আসামি সাগর হোসেনকে (২৭) নওগাঁর আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট সকালে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন ফরিদ হোসেন। পরদিন তার বাবা ক্ষেতলাল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একটি গ্যারেজ থেকে নিহতের ইজিবাইকটি উদ্ধার এবং রবিউল ও জাকির হোসেন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, নিখোঁজ হওয়ার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে মরদেহ কঙ্কালে পরিণত হওয়ার কথা নয়। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ দ্রুত নষ্ট করার জন্য কোনো দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম জানিয়েছেন, কীভাবে এত কম সময়ে মরদেহ কঙ্কালে রূপান্তর হলো, তা প্রধান আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পরিষ্কার হবে।

আপনার মতামত দিন