হোম / সারাদেশ / শিক্ষিকাকে লাথি মারার ঘটনায় পদত্যাগ করলেন অভি...
সারাদেশ

শিক্ষিকাকে লাথি মারার ঘটনায় পদত্যাগ করলেন অভিযুক্ত শিক্ষক আমিনুল ইসলাম

কুমিল্লা প্রতিনিধি
২৭ আগস্ট, ২০২৬ | ০২:০১ পূর্বাহ্ন
৪৭ বার পঠিত
ফন্ট:
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাকে লাথি দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এবং সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন স্বীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাকে চেয়ার থেকে লাথি দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত এবং সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন স্বীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে তিনি লিখিত অব্যাহতিপত্র জমা দেন। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুন্নী ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১০ আগস্ট স্বাক্ষরিত ওই অব্যাহতিপত্রে আমিনুল ইসলাম সুজন আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসার অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি উল্লেখ করেন, হাইকোর্টের আদেশের ভুল বোঝাবুঝির কারণে সৃষ্ট জটিলতা, বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক স্বার্থ বিবেচনা করে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আমিনুল ইসলাম সুজন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে ছিলেন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগেরও সাংগঠনিক সম্পাদক। গত ২৯ মার্চ তার অনুসারীরা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে মারধর ও চেয়ার থেকে লাথি দিয়ে ফেলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর জেরে আদালত তাকে বিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেন।

এদিকে ভুক্তভোগী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলাম অভিযোগ করেছেন, পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও সুজন এখনও প্রধান শিক্ষকের চেয়ার দখল করে আছেন, শিক্ষকদের হাজিরা খাতা লুকিয়ে রেখেছেন এবং তাকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। ইউএনও মুন্নী ইসলাম জানিয়েছেন, অব্যাহতিপত্রটি হাতে পাওয়া গেছে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে যে নির্দেশনা আসবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে নিজেকে প্রধান শিক্ষক দাবি করে আসা আমিনুলের নিয়োগ ২০২৩ সালে এক সহকারী শিক্ষকের অভিযোগে ভুয়া ও জাল প্রমাণিত হয়। জেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে তার নিয়োগ অনিয়মিত প্রমাণিত হওয়ায় গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

 

ক
কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+