হোম / সারাদেশ / কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে দুই ইউনিয়ন প্ল...
সারাদেশ

কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে দুই ইউনিয়ন প্লাবিত: পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ

জেলা প্রতিনিধি ►কুষ্টিয়া
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
১০১ বার পঠিত
ফন্ট:
পদ্মা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

পদ্মা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে এই দুই ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে ও পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

পানি বৃদ্ধির ফলে একদিকে যেমন নদী তীরবর্তী উদয়নগর, আতারপাড়া ও ডিগ্রীরচর এলাকায় তীব্র নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে, অন্যদিকে পানিবন্দি মানুষের মধ্যে সাপের আতঙ্কও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে পানিতে ঝোপঝাড় ও নিচু জায়গা ডুবে যাওয়ায় বিষধর সাপের ভয়ে রাতে ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই দুই ইউনিয়নের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাঠদান নিরুৎসাহিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পদ্মার পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে ১২ দশমিক ৯৮ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। গত তিন দিনে জেলায় পদ্মার পানি ৩৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে দৌলতপুরের চরাঞ্চলের ৩৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছিল।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান জানান, তার ইউনিয়নের ১৯টির মধ্যে ১৭টি গ্রামের নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়িতে পানি উঠে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল জানান, সব কটি গ্রামের চারপাশে পানি থাকায় এবং সড়ক ডুবে যাওয়ায় স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এদিকে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে প্লাবিত এলাকার ৩০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বিক পর্যবেক্ষণে রেখে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

 

জ
জেলা প্রতিনিধি ►কুষ্টিয়া

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+