হোম / জাতীয় / বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাব...
জাতীয়

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের জোরালো সহায়তা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট
০১ অক্টোবর, ২০২৬ | ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
৬৮ বার পঠিত
ফন্ট:

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতার হাত আরও বাড়াতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বেইজিংয়ের উদ্যোগ অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

তিনি তৈরি পোশাক, ইলেকট্রিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হাই-টেক ইলেকট্রনিক্স, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে চীনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা সম্প্রসারণের জোর তাগিদ দেন।

কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডোর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরের মতো আঞ্চলিক যোগাযোগ উদ্যোগগুলোকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ পুরোপুরি প্রস্তুত। পাশাপাশি মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠা দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের ঐতিহাসিক চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁর নিজের চীন সফরসহ জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃত্ব এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে। তিনি চীনকে বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট 'বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল' নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য চীনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) জটিল ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় চীনা প্রযুক্তিগত সহায়তা চান রাষ্ট্রপতি। জবাবে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত এই বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রপতি ইয়াও ওয়েনের সফল কূটনৈতিক কার্যকালের প্রশংসা করে তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুদৃঢ়করণে তাঁর অবদানকে বাংলাদেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলে জানান।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন উপস্থিত ছিলেন।

 

মাতুভূমি/এএইচ

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+