শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব, আধুনিক শিক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) থেকে তিন দিনব্যাপী এই সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব শুরু হয়েছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত শৈশব, নৈতিক, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত পুষ্টি এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সুদৃঢ় অঙ্গীকার।”
তিনি স্মরণ করেন যে, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অর্ধশতক পেরিয়ে আজ ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে এই প্রতিষ্ঠানটি গৌরবময় ৫০ বছর পূর্ণ করেছে। শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে ১৯৭৮ সাল থেকে শিশু একাডেমি ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার’ প্রতিযোগিতা চালিয়ে আসছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাজ থেকে শিশুশ্রম, সামাজিক সহিংসতা, বাল্যবিয়ে ও বৈষম্যের মতো চ্যালেঞ্জ দূর করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের ছোট্ট শিশুর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে আগামী দিনের পথপ্রদর্শক ও দেশের চালিকাশক্তি। শিশুদের সঠিক যত্ন, স্নেহ ও শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে তোলা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।”
এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়কালে শিশু অধিকার ও শিশুশ্রম নিরসনে গৃহীত বিভিন্ন ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন সরকারপ্রধান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিশু একাডেমির এই সুবর্ণজয়ন্তী এবং শিশু অধিকার দিবসের সমস্ত কর্মসূচি নতুন মানবিক অভিযাত্রার পথপ্রদর্শক হবে এবং শিশুদের হাসি ও মেধার বিকাশেই গড়ে উঠবে এক স্বনির্ভর বাংলাদেশ।
মাতুভূমি/এসএফ

আপনার মতামত দিন