হোম / জাতীয় / গ্যাস সংকট কাটাতে বড় পদক্ষেপ: ৭ মাসেই ৩২ কূপ...
জাতীয়

গ্যাস সংকট কাটাতে বড় পদক্ষেপ: ৭ মাসেই ৩২ কূপ খনন সম্পন্ন

Shahin Farrokh
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ | ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
১০০ বার পঠিত
ফন্ট:
বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট আসছে দেশীয় উৎস থেকে এবং বাকি ৯০০ থেকে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানির মাধ্যমে মেটানো হচ্ছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে দেশের নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগে গতি এসেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত সাত মাসে দ্রুতগতিতে ৩২টি কূপের খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০৩১ সালের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে মোট ১৫০টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ১৪টি, বাপেক্সের ১১টি এবং বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ৭টি কূপের খননকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে আরও ৭টি কূপের খননকাজ চলমান রয়েছে, যেগুলোর কাজ আগামী জানুয়ারি নাগাদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এসব কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৯৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে গ্যাস উৎপাদন বাড়লেও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। পেট্রোবাংলার রিজার্ভার অ্যান্ড ডাটা ম্যানেজমেন্ট বিভাগ জানিয়েছে, পাইপলাইন-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সম্পন্ন হওয়া কূপগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা এখনও কাজে লাগানো যাচ্ছে না। প্রায় ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সঞ্চালন অবকাঠামোর অভাবে গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাস উত্তোলনের পাশাপাশি সময়মতো তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় সঞ্চালন পাইপলাইন ও প্রসেসিং প্ল্যান্টের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট আসছে দেশীয় উৎস থেকে এবং বাকি ৯০০ থেকে ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানির মাধ্যমে মেটানো হচ্ছে।

এদিকে স্থলভাগের পাশাপাশি সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানেও জোর দিয়েছে সরকার। বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক কোম্পানির কাছে ২৬টি অফশোর ব্লক উন্মুক্ত করে ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬’ চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি এবং পরবর্তী সময়ে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতার চাপ অনেকটাই কমে আসবে।

 

 

মাতুভূমি/এসএফ

S
Shahin Farrokh

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+