হোম / রাজনীতি / নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে এবার নতুন অভি...
রাজনীতি

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে এবার নতুন অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
০৯ আগস্ট, ২০২৬ | ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
৯১ বার পঠিত
ফন্ট:
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একটি পুরোনো ছবি বিকৃত প্রেক্ষাপটে উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একটি পুরোনো ছবি বিকৃত প্রেক্ষাপটে উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই বিভ্রান্তিকর পোস্টের মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে জনমনে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

রোববার (৯ আগস্ট) শিক্ষামন্ত্রীর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি ২০২৩ সালের ৪ মে সময় টেলিভিশনের একটি টকশোতে অংশ নেওয়ার ঠিক আগের। কিন্তু সেই পুরোনো ছবিটিকে বর্তমান সময়ের শিক্ষাব্যবস্থা সংক্রান্ত আলোচনার 'বিশেষ বৈঠক' হিসেবে প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থার চলমান উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ ব্যাহত করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল এমন অসত্য তথ্য ও ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত সকালে, যখন এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান ও অপর এক ব্যক্তিকে একসাথে বসে থাকতে দেখা যায়। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন— ‘শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক।’

তবে ছবির স্বয়ংক্রিয় তারিখ ও সময়ে দেখা যায় সেটি ২০২৩ সালের ৫এপ্রিল রাতের তোলা। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়ে পাটওয়ারী পরবর্তীতে কমেন্ট বক্সে নতুন এক বার্তা যোগ করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ছবিতে থাকা তৃতীয় ব্যক্তি হলেন চাঁদপুরের কচুয়া সার্কেলের বর্তমান সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হাই চৌধুরী, যিনি ব্যারিস্টার সুমনের ভাই। তাঁর অভিযোগ, এই পোস্টিং ও পদোন্নতির পেছনে নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রশ্ন জড়িত এবং এর স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, ড. এহছানুল হক মিলন দীর্ঘ সময় ধরে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। ভিত্তিহীন গুজব বাদ দিয়ে সত্য ও তথ্যের ভিত্তিতে গঠনমূলক আলোচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+