হোম / বিশ্ব / তৃণমূল কার্যালয়ে মিলল সাবেক ডেপুটি স্পিকারের...
বিশ্ব

তৃণমূল কার্যালয়ে মিলল সাবেক ডেপুটি স্পিকারের ঝুলন্ত মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৬ আগস্ট, ২০২৬ | ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
৫৪ বার পঠিত
ফন্ট:
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে বীরভূম জেলার রামপুরহাটের হাততালাপাড়ায় নিজের বাড়ির পাশে দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।

রামপুরহাট আসন থেকে ২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় তিনি স্কুলশিক্ষা ও কৃষি দপ্তরের দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পুলিশ ও বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে ‘সুইসাইড নোট’ বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিঠিটির সত্যতা ও ভেতরের বক্তব্য যাচাই করে দেখছে পুলিশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা লিখেছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে পরিবারের তরুণদের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত দাবি করে তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (টিআরডিএ) আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিজের কোনো সিদ্ধান্তমূলক ভূমিকা ছিল না বলে উল্লেখ করেন। নিজেকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলেও চিঠিতে তিনি অভিযোগ তোলেন।

উল্লেখ্য, গত জুনে বীরভূম জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে রামপুরহাট আসনে তিনি বিজেপির প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হন।

প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রামপুরহাটের দলীয় কার্যালয়ের সামনে শোকস্তব্ধ নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের ঢল নামে। পুরো রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্ত শেষেই তাঁর মৃত্যুর মূল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+