তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো সংকটে কক্সবাজারের মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পর্যাপ্ত মজুত না থাকায় টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
ফলে বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা এলএনজির একমাত্র উৎস হিসেবে চালু রয়েছে কেবল সামিট গ্রুপের টার্মিনালটি। নতুন এলএনজিবাহী কার্গো দেশে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমদানিকৃত গ্যাসের জন্য পুরোপুরি সামিটের ওপরই নির্ভর করতে হবে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সরবরাহকৃত গ্যাসের মধ্যে একটি বড় অংশ আসে এই দুই ভাসমান টার্মিনাল থেকে। তবে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি ও চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এর আগে গত সপ্তাহেও প্রযুক্তিগত বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনালটি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে আসে। পরবর্তীতে সামিট তাদের সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল। তবে এবার কোনো কার্গো না থাকায় এবং মজুতের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আবারও চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

আপনার মতামত দিন