রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি তীব্র হামলায় একদিনে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ইউক্রেনে সাতজন, রাশিয়ায় চারজন এবং রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্রমবর্ধমান রুশ আগ্রাসন মোকাবেলায় ইউক্রেনকে নতুন করে মিসাইল প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স।
গত সাড়ে চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে রুশ হামলায় বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইউক্রেনের ক্রিভি রিগ শহরের একটি শপিং সেন্টারে রুশ ড্রোন হামলায় এর আগে ১৬ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন, যার ধ্বংসস্তূপে এখনো উদ্ধারকাজ চলছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইউক্রেনকে আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সক্ষমতা দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান যে, রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে ইউক্রেনকে সহযোগিতা করা অত্যন্ত জরুরি।
রাশিয়াকে আগ্রাসন বন্ধে বাধ্য করতে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের নেতৃত্বাধীন মিত্র দেশগুলো বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলা কূটনৈতিক তৎপরতা বর্তমানে কিছুটা থমকে আছে।
রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের ইয়েস্ক জেলায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় দুই শিশু নিহত এবং তাদের বাবা-মা আহত হয়েছেন। এছাড়া কিয়েভ ও ওডেসা অঞ্চলেও পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলতি বছরে ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির হার যুদ্ধের শুরুর দিককার মাসগুলোর পর এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

আপনার মতামত দিন