ভারতের হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে নিজ বাসায় রাজেশ (৩৫) নামের এক পানি সরবরাহকারী কর্মীকে হত্যার পর তার মরদেহ কাটাছেঁড়া করে নাড়িভুঁড়ি বের করার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী বিমলা দেবীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুরুক্ষেত্রের পেহোয়া রোডের রাজ প্যালেসের কাছে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এই দম্পতি। গত রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বাড়ির মালিক রিংকু তাদের ঘর থেকে চিৎকার শুনতে পেয়ে ছাদে গিয়ে দেখেন, রাজেশ রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন এবং তার স্ত্রী বিমলা দেবীর হাতে রাজেশের শরীর থেকে বের হয়ে আসা নাড়িভুঁড়ি একটি ব্যাগে ভরছেন। এ সময় বাড়ির মালিককে দেখে আতঙ্কিত হয়ে বিমলা ছাদ থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে রাজেশের পেটে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ও প্রায় ৩৫ সেন্টিমিটার গভীর ক্ষতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া তার যকৃতের বড় অংশ ও একটি কিডনি অনুপস্থিত পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত দম্পতির মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো বলে জানিয়েছেন বাড়ির মালিক। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত উদ্দেশ্য উদঘাটনে পুলিশ ইতোমধ্যে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

আপনার মতামত দিন