হোম / রাজনীতি / যেভাবে গুম করা হয়েছিল বিএনপির তৎকালীন মুখপাত্...
রাজনীতি

যেভাবে গুম করা হয়েছিল বিএনপির তৎকালীন মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমদকে

ডেস্ক রিপোর্ট
৩০ আগস্ট, ২০২৬ | ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
৫৮ বার পঠিত
ফন্ট:
২০১৫ সালে তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমেদের নিখোঁজ ও ভারতে উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উন্মোচনের পথে রয়েছে।

২০১৫ সালে তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র সালাহউদ্দিন আহমেদের নিখোঁজ ও ভারতে উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উন্মোচনের পথে রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, রাজধানীর উত্তরা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে বাংলাদেশের একটি গোপন সেল বা 'আয়নাঘর'-এ প্রায় ৬১ দিন আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে তাকে সীমান্ত পার করে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে উত্তরার একটি বাসা থেকে সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমদ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তাকে তুলে নেওয়ার পর তার দীর্ঘ খোঁজ মেলেনি। এরপর দীর্ঘ প্রায় দুই মাস পর ১১ মে ভারতের শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকা থেকে উদ্‌ভ্রান্ত অবস্থায় স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তার বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা হয়। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ২০১৮ সালের নিম্ন আদালত এবং ২০২৩ সালের আপিল আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ ৯ বছর প্রবাসজীবন শেষে ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট তিনি দেশে ফেরেন।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিজের গুমের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, আটকে থাকা অবস্থায় দিন-রাতের কোনো পার্থক্য বোঝার উপায় ছিল না। পরে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তাকে শিলংয়ের একটি নির্জন এলাকায় গাড়ি থেকে নামিয়ে বলা হয়েছিল— ‘ইউ আর ফ্রি নাউ’ (তুমি এখন মুক্ত)।

সালাহউদ্দিন গুমের ঘটনায় ২০২৫ সালের ৫ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ভারতীয় আদালতের নথিপত্র, চিকিৎসকদের বক্তব্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে প্রসিকিউশনের দাবি, সালাহউদ্দিন স্বেচ্ছায় যাননি, বরং তাকে জোরপূর্বক ভারতে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে এই মামলার তদন্ত কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

 

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+