হোম / জাতীয় / গত তিন বছরে চার শতাধিক তৈরি পোশাক কারখানা বন্...
জাতীয়

গত তিন বছরে চার শতাধিক তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
৩৭ বার পঠিত
ফন্ট:
দেশের তৈরি পোশাক খাতে মন্দা ও নানামুখী সংকটের কারণে গত তিন বছরে চার শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

দেশের তৈরি পোশাক খাতে মন্দা ও নানামুখী সংকটের কারণে গত তিন বছরে চার শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য ২৮২টি এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) ১২৩টি কারখানা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই তথ্য জানিয়েছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর পূর্ণাঙ্গ নামের তালিকা সংগ্রহের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করেছে মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে—দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থ পাচারের জেরে ব্যাংকিং খাতের তীব্র তারল্য সংকট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) এবং বিদেশি ক্রেতাদের নিজস্ব মনিটরিং সুবিধার কারণে ছোট ও মাঝারি কারখানায় রপ্তানি আদেশ প্রদানে অনীহা।

তৈরি পোশাক খাতের এই ধকল কাটিয়ে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতে বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের বিকল্প হিসেবে ১.৫০% নগদ সহায়তা, ইউরো অঞ্চলের রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত ০.৫০% বিশেষ সহায়তা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ৩.০০% অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা হিসেবে আরও ০.৩০% বরাদ্দ রয়েছে।

সংসদে অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী বাজার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য আদায়, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা মজুতদারির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেট ও কার্টেলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন তৎপর রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+