রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে হৃদয় ওরফে শিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জোড়া খুনের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই কলাবাগান থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলাবাগান কাঁঠালবাগানের আল-আমিন রোডের একটি ভাড়া বাসায় মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—ফারজানা আক্তার রাত্রী (২০) এবং তাঁর মা ফিরোজা বেগম (৪০)।
কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে আশিক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। অন্যদিকে গুরুতর আহত শাশুড়ি ফিরোজা বেগমকে উদ্ধার করে একই হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পিকআপ ভ্যানচালক হৃদয়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ফারজানার দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। গতকাল শনিবার মোহাম্মদপুরে একটি অনুষ্ঠান শেষে রাতে তাঁরা শাশুড়ির বাসায় ওঠেন। রোববার সকালে তাঁদের মধ্যে পুনরায় ঝগড়া শুরু হলে শাশুড়ি ফিরোজা বেগম মেয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
ঝগড়ার একপর্যায়ে হৃদয় উত্তেজিত হয়ে তরকারি কাটার ছুরি দিয়ে প্রথমে স্ত্রী ফারজানাকে আঘাত করেন, এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে শাশুড়ি বাধা দিতে এলে তাঁকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন হৃদয়।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই অভিযুক্ত হৃদয় কলাবাগান থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত দিন