দেশে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯৯ জনে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৯৯ জন এবং সরাসরি হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১৫৭ জন সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগী এবং ৭৯ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ জন, যার মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ জন। এই সময়ে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এবং নিশ্চিত রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৮৩৫ জন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একসময়ে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকাদানে বাংলাদেশের বিশ্বজোড়া খ্যাতি থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টিকাদানের ঘাটতির কারণে এই মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে।
ডব্লিউএইচও-এর তথ্য অনুযায়ী, অতীতে টিকাদান কর্মসূচির কাভারেজ শতভাগ থাকলেও ২০২৫ সালে তা ৫৯ শতাংশে নেমে আসে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে টিকার স্বল্পতাও এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত দিন