হোম / জাতীয় / জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে কিডনি ড...
জাতীয়

জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা

প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ৫ হাজার নার্স-টেকনোলজিস্ট
ডেস্ক রিপোর্ট
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
৪৫ বার পঠিত
ফন্ট:
দেশের কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে বড় পরিসরে ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

দেশের কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে বড় পরিসরে ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যা এবং প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা পর্যায়ে এই সেবা চালুর তিন বছর পর ধাপে ধাপে উপজেলা পর্যায়েও ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণের কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫ হাজার নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে তিন মাসের ডায়ালাইসিসবিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নার্স ও টেকনোলজিস্ট উভয় ক্যাটাগরিতে আড়াই হাজারসহ মোট ৫ হাজার নতুন পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (নিকডু) এবং ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজা জানান, বর্তমানে ১২০ জন প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনে ৯০ জন, পাবনায় ২০ জন এবং রাজশাহীতে ১০ জন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। খুব শীঘ্রই সিলেটসহ অন্যান্য অঞ্চলেও এই কার্যক্রম ব্যাপকভাবে শুরু হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৩কোটি ৮০লাখ মানুষ কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং প্রতি বছর প্রায় ৪০হাজার রোগী ডায়ালাইসিসনির্ভর হয়ে পড়েন। তবে দেশের প্রায় ১৪৬টি ডায়ালাইসিস সেন্টারের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশই ঢাকায় অবস্থিত হওয়ায় এতদিন প্রান্তিক রোগীরা বড় ধরনের বঞ্চিত হতেন। সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপে সেই বৈষম্য দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসকের সংকট দূর করতে প্রবেশনারি চিকিৎসকদের নিজ নিজ উপজেলা বা পার্শ্ববর্তী এলাকায় পদায়ন, অধ্যাপক থেকে শুরু করে কনসালট্যান্টদের স্বয়ংক্রিয় পদায়ন নিশ্চিতকরণ এবং সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া দ্রুত একনেকে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিরপুরে প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজের পরিবর্তে একটি ৬০০ শয্যার আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

ড
ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+