হোম / বিশ্ব / শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় ১৫ বছরের নিচে সামাজি...
বিশ্ব

শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় ১৫ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আনতে যাচ্ছে ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
৮০ বার পঠিত
ফন্ট:
ডিজিটাল সেবা থেকে শিশুদের পুরোপুরি দূরে রাখা নয়, বরং অনলাইন সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি শোষণ ও অপব্যবহার থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়াই এই নীতির মূল লক্ষ্য।

শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষায় ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, এআই চ্যাটবট ও অনলাইন গেম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক কঠোর বিধিনিষেধের প্রস্তাব করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইউরোপীয় কমিশনের একটি খসড়া নথির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

‘ইইউ কিডস অ্যাক্ট’-এর আওতায় আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন ও ইইউর প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান হেনো ভির্কুনেন এটি উপস্থাপন করবেন। খসড়া নথিতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল সেবা থেকে শিশুদের পুরোপুরি দূরে রাখা নয়, বরং অনলাইন সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি শোষণ ও অপব্যবহার থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়াই এই নীতির মূল লক্ষ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও এআই সেবার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অভিভাবক ও নীতিনির্ধারকদের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় বয়সের ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে:

৩ বছরের নিচে: শিশুদের যেকোনো ধরনের অনলাইন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে।

৩ থেকে ১২ বছর: এই বয়সীদের অনলাইন কার্যক্রম বাবা-মায়ের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং তারা কেবল নিরাপদ ও শিশুবান্ধব ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করতে পারবে।

১৩ ও ১৪ বছর: এই বয়সের কিশোর-কিশোরীরা বাবা-মায়ের অনুমতি সাপেক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও প্ল্যাটফর্মে সীমিত পরিসরে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। এসব অ্যাকাউন্টে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও সীমিত যোগাযোগের সুবিধা থাকবে।

১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব: এই বয়সীরা নিজেদের নামে স্বাধীনভাবে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার অনুমতি পাবে।

নতুন এই বিধিনিষেধের আওতায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও বেশ কিছু নতুন দায়িত্ব অর্পণ করা হবে। নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা বা অনলাইন গেম ডাউনলোডের সময় কার্যকর বয়স যাচাই প্রযুক্তি ব্যবহার এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এ ছাড়া শিশুদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করতে পারে—এমন যেকোনো ডিজাইন বা ফিচার এড়িয়ে চলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আইন কার্যকর হলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে তদারকি ফি আদায় করা হতে পারে, যা আইন প্রয়োগ ও তদারকি কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। তবে প্রস্তাবটি এখনই আইন হচ্ছে না। এটি পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ নিতে ইইউভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

আ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+