হোম / বিশ্ব / নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী আদেশের বিরুদ্ধে...
বিশ্ব

নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
৯৮ বার পঠিত
ফন্ট:
নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নাম ও দীর্ঘদিনের পরিচিত নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারের ওপর কমিশনের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার বৈধতা নিয়ে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তিনি সুপ্রিম কোর্টে এই আবেদন করেন। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন এক অন্তর্বর্তী আদেশে জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের দুটি বিবদমান গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এই বিরোধের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই পুরনো দলীয় নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনকে সামনে রেখেই মূলত এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করে কমিশন।

এর পরদিন দুই গোষ্ঠীর জন্য আলাদা দুটি নতুন নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অংশকে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘খাম’ প্রতীক বরাদ্দ করে কমিশন। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে যে, এই সিদ্ধান্ত দলীয় নাম বা জোড়াফুল প্রতীকের চূড়ান্ত মালিকানা সংক্রান্ত কোনো ফয়সালা নয়; বরং এটি শুধুমাত্র আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য একটি সাময়িক ব্যবস্থা। দুই পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিস্তারিত শুনানির প্রক্রিয়া পরবর্তীতে অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, মমতার আইনি আবেদনে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি এবং আইনি বৈধতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তার পক্ষের আইনজীবীদের দাবি, দলের মূল সাংগঠনিক কাঠামো এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রকৃত অবস্থান কমিশন যথাযথভাবে বিবেচনা করেনি। এছাড়া বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে বিধানসভায় বিচারাধীন অযোগ্যতা সংক্রান্ত আবেদনগুলোর সুরাহা না হওয়ার বিষয়টিও আবেদনে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্তের পরপরই দলীয় প্রতীক ও নাম পুনরুদ্ধারে সর্বাত্মক রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আইনি লড়াই গড়াল সুপ্রিম কোর্টে।

আগামী ৬ অক্টোবর নির্ধারিত উপনির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে আইনি এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের উত্তাপ বহুগুণ বেড়ে চলেছে। এখন সর্বোচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে নির্বাচন কমিশনের এই অন্তর্বর্তী আদেশে কোনো পরিবর্তন আসে কি না, সেদিকেই গভীর নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

 

আ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক

আপনার মতামত দিন

ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
News Image
dailymatribhumi.com
logo
+